পর্দা না করার পিছনে আমাদের সম্মানীত বোনদের অযুহাত: . অযুহাত নম্বর ১- শরীরে অধিক কাপড় জড়ালে আমার গরম লাগে, গরমে আমার সমস্যা হয়। . অযুহাত নম্বর ২- পর্দা করা না করা আমার ব্যাপার। পুরুষরা দৃষ্টি নিচু রাখলেই তো হয়। তাদের দেখতে বলছে কে? . অযুহাত নম্বর ৩- যেখানে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষীত হয় সেখানে পর্দা আর নারীদের কতটুকু হেফাজত করতে পারবে। . অযুহাত নম্বর ৪- বোরকা পরে হাত মোজা, পা মোজা পরলে মানুষ আমাকে দেখে হাসাহাসি করে। তাই এগুলো পরতে আর ভালো লাগে না। . অযুহাত নম্বর ৫- বোরখা পরলে আমার সহপাঠী কিংবা সহকর্মীরা আমাকে জঙ্গী বলে উপহাস করে। তাই বোরকা পরবো না। . অযুহাত নম্বর ৬- ভালো খারাপ নিজের কাছে। আমি ভালো তো জগৎ ভালো। পর্দা না করলে যে ভালো থাকা যায় না তা না। . অযুহাত নম্বর ৭- বোরকার আড়ালেও তো কতো মেয়ে খারাপ কাজ করে। আমরা মুখোশধারী শয়তান হইতে চাই না। . অযুহাত নম্বর 8 - নামাজ শুরু করছি। এটাই আগে ঠিকঠাক মত কন্টিনিউ করি পর্দা পরে করবো! . অযুহাত নম্বর 9- মনের পর্দাই বড় পর্দা। . অযুহাত নম্বর 10- বিয়ের পর পর্দা করবো। . ইত্যদি আরো অনেক অজুহাত পর্দা না করার জন্য পেশ করা সম্ভব। . তবে বিশ্বাসী নারীদের পর্দা করার জন্য শুধুমাত্র একটা কারনই যথেষ্ট। আর তা হচ্ছে---- . পর্দা করা আল্লাহর হুকুম। যা পালন করা ফরজ। আল্লাহ পাক এরশাদ করেন, হে নবী
আপনি আপনার স্ত্রী, কন্যা এবং বিশ্বাসী মুসলিম পুরুষের স্ত্রীদের বলেন
তারা যেন নিজেদের গায়ে আবরণ টেনে নেয়। এতে তারা সম্ভ্রান্ত মহিলা হিসেবে
পরিচিতি পাবে এবং তাদের উত্যক্ত হওয়ার আশংকা কম থাকবে। [সূরা আল-আজহাবঃ
৩৩:৫৯] .
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে নারী এতো পাতলা পোষাক পরিধান
করবে যে তা ভেদ করে শরীরের অবয়ব বোঝা যায় এবং যে উটের কুজের মতো মাথার কেশ
বিন্যাস করবে, ঐ নারী জান্নাতের সুঘ্রান পাবে না, যা বহুদূর থেকেও পাওয়া
যায়। [সহীহ মুসলিমঃ ২১২৭, মুসনাদে আহমাদঃ ৮৬৬৫]
.
. তবুও যদি বলেন পর্দা কেন করবো..? তাহলে বলবো কে বলেছে আপনাকে পর্দা করতে? আপনি তো বিলিভারই নন।
0 Comments
Thanks for being with us